‘মুক্তি বেটি’ কাঁকন বিবি আর নেই
‘মুক্তি বেটি’ কাঁকন বিবি আর নেই
মুক্তিযুদ্ধের অগ্নিকন্যা ‘বীর প্রতীক’ খেতাব প্রাপ্ত নারী মুক্তিযোদ্ধা কাঁকন বিবি চলে গেলেন না ফেরার দেশে। সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বুধবার রাত ১১টা ৫ মিনিটে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন একাত্তরের এই বীরকন্যা।
সিলেট ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডা. মাহবুবুল হক চৌধুরী জানান, নিউমোনিয়া ও শ্বাসকষ্ট রোগে আক্রান্ত হয়ে গত সোমবার কাঁকন বিবি সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হন। তার ফুসফুসের একাংশও কাজ করছিল না। তাই তাকে হাসপাতালের আইসিইউ বিভাগে রেখে চিকিৎসা দেওয় হচ্ছিলো। অবশেষে গতকাল রাত সোয়া ১১টার দিকে মারা যান একাত্তরে সম্মুখ সমরে লড়াই করা এ বীর নারী।
কাঁকন বিবি খাসিয়া সম্প্রদায়ের এক পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। খাসিয়া মুক্তি বেটি নামেই তিনি অধিক পরিচিত। তার পৈত্রিক বাড়ি ভারতের খাসিয়া পাহাড়ের পাদদেশের এক গ্রামে। ১৯৭০ সালে দিরাই উপজেলার শহীদ আলীর সঙ্গে কাকনের বিয়ে হয়। বিয়ের পর তার পরিবর্তিত নাম হয় নুরজাহান বেগম এবং সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজার উপজেলার ঝিরাগাঁও গ্রামের বাসিন্দা হন কাঁকন বিবি। তার মৃত্যুতে এলাকায়ও নেমে এসেছে শোকের ছায়া।
কাঁকন বিবির স্বামী শহীদ আলী পাকিস্তানের হয়ে কাজ করলেও ১৯৭১ সালে মাত্র তিন মাস বয়সী মেয়ে সখিনাকে রেখে মুক্তিযুদ্ধে যান কাঁকন। প্রথমে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে গুপ্তচরের কাজ করেন এবং পরবর্তী সময়ে প্রায় ২০টি সম্মুখযুদ্ধে অংশ নেন তিনি। পাক বাহিনীর হাতে আটক হয়ে নির্যাতনের শিকারও হয়েছেন বীর এই যোদ্ধা।
এরপর মুক্তিযোদ্ধা রহমত আলী, ৫নং সেক্টর কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কর্নেল মীর শওকতের সঙ্গে দেখা করিয়ে দেন কাঁকন বিবির। তারপর থেকে তিনি ৫নং সেক্টরের দায়িত্বে গুপ্তচর হিসেবে বিভিন্ন তথ্য আদান প্রদান করতেন।
মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য অবদানের জন্য ১৯৯৬ সালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাঁকে বীরপ্রতীক খেতাবে ভূষিত করেন।
মুক্তিযুদ্ধের অগ্নিকন্যা ‘বীর প্রতীক’ খেতাব প্রাপ্ত নারী মুক্তিযোদ্ধা কাঁকন বিবি চলে গেলেন না ফেরার দেশে। সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বুধবার রাত ১১টা ৫ মিনিটে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন একাত্তরের এই বীরকন্যা।
সিলেট ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডা. মাহবুবুল হক চৌধুরী জানান, নিউমোনিয়া ও শ্বাসকষ্ট রোগে আক্রান্ত হয়ে গত সোমবার কাঁকন বিবি সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হন। তার ফুসফুসের একাংশও কাজ করছিল না। তাই তাকে হাসপাতালের আইসিইউ বিভাগে রেখে চিকিৎসা দেওয় হচ্ছিলো। অবশেষে গতকাল রাত সোয়া ১১টার দিকে মারা যান একাত্তরে সম্মুখ সমরে লড়াই করা এ বীর নারী।
কাঁকন বিবি খাসিয়া সম্প্রদায়ের এক পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। খাসিয়া মুক্তি বেটি নামেই তিনি অধিক পরিচিত। তার পৈত্রিক বাড়ি ভারতের খাসিয়া পাহাড়ের পাদদেশের এক গ্রামে। ১৯৭০ সালে দিরাই উপজেলার শহীদ আলীর সঙ্গে কাকনের বিয়ে হয়। বিয়ের পর তার পরিবর্তিত নাম হয় নুরজাহান বেগম এবং সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজার উপজেলার ঝিরাগাঁও গ্রামের বাসিন্দা হন কাঁকন বিবি। তার মৃত্যুতে এলাকায়ও নেমে এসেছে শোকের ছায়া।
কাঁকন বিবির স্বামী শহীদ আলী পাকিস্তানের হয়ে কাজ করলেও ১৯৭১ সালে মাত্র তিন মাস বয়সী মেয়ে সখিনাকে রেখে মুক্তিযুদ্ধে যান কাঁকন। প্রথমে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে গুপ্তচরের কাজ করেন এবং পরবর্তী সময়ে প্রায় ২০টি সম্মুখযুদ্ধে অংশ নেন তিনি। পাক বাহিনীর হাতে আটক হয়ে নির্যাতনের শিকারও হয়েছেন বীর এই যোদ্ধা।
এরপর মুক্তিযোদ্ধা রহমত আলী, ৫নং সেক্টর কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কর্নেল মীর শওকতের সঙ্গে দেখা করিয়ে দেন কাঁকন বিবির। তারপর থেকে তিনি ৫নং সেক্টরের দায়িত্বে গুপ্তচর হিসেবে বিভিন্ন তথ্য আদান প্রদান করতেন।
মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য অবদানের জন্য ১৯৯৬ সালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাঁকে বীরপ্রতীক খেতাবে ভূষিত করেন।




No comments